পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা সদরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শুনে পালানো সেই রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রাতিষ্ঠানিক কেরায়ারেন্টিন কেন্দ্র থেকে গাছ বেয়ে পালিয়ে তিনি পাশ্ববর্তী ফরিদপুর উপজেলার একটি গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে ওঠেন। খবর পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা প্রশাসনের একটি দল গিয়ে বাড়িটি লকডাউন করে এবং সেখানেই তাঁকে হোম আইসোলেশনে রাখে।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হালিমা খানম এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উপজেলায় প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের দেখভাল করছে পৌর কর্তৃপক্ষ।
ওই ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁরা সহ পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন খোঁজ–খবর করছিল। পরে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ওই ব্যক্তি শ্বশুর বাড়িতে আছেন।পরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ জেলা কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল রাতে বাড়িটি লকডাউন করে তাঁকে সেখানেই হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তবে তিনি সুস্থ্ আছেন। তাঁর শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো উপসর্গ নেই।
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা সদরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শুনে পালানো সেই রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রাতিষ্ঠানিক কেরায়ারেন্টিন কেন্দ্র থেকে গাছ বেয়ে পালিয়ে তিনি পাশ্ববর্তী ফরিদপুর উপজেলার একটি গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে ওঠেন। খবর পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা প্রশাসনের একটি দল গিয়ে বাড়িটি লকডাউন করে এবং সেখানেই তাঁকে হোম আইসোলেশনে রাখে।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হালিমা খানম এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
হালিমা খানম প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলায় প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের দেখভাল করছে পৌর কর্তৃপক্ষ। ওই ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁরা সহ পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন খোঁজ–খবর করছিল। পরে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ওই ব্যক্তি শ্বশুর বাড়িতে আছেন।পরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ জেলা কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল রাতে বাড়িটি লকডাউন করে তাঁকে সেখানেই হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তবে তিনি সুস্থ্ আছেন। তাঁর শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো উপসর্গ নেই।
জানা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বয়স ৩৫ বছর। তিনি ঢাকায় ইটভাটা শ্রমিকের কাজ করেন। গত ২২ মে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসেন। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি জানার পরই তাঁকে উপজেলা সদরের ভাঙ্গুড়া মডেল সরকারী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রে রাখেন। এরপর ২৩ মে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে রাজশাহীতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ২৭ মে বুধবার নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে তিনি করোনাভাইরাস পজিটিভ বলে শনাক্ত হন। ওই দিন সন্ধ্যায় ওই ব্যক্তি বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর রাতেই তিনি কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রের ছাদ থেকে পাশের একটি গাছ বেয়ে নিচে নেমে পালিয়ে যান।

0 Post a Comment:
إرسال تعليق